gplus twitter facebook

নিউজ ও ইভেন্ট

প্রতিহিংসার শিকার সাংবাদিক মাসুদ ও মামুন

প্রতিহিংসার শিকার সাংবাদিক মাসুদ ও মামুন স্টাফ রিপোর্টার
রাজশাহীতে চাঁদাবাজির অভিযোগে দুই ভুয়া গোয়েন্দা পুলিশ গ্রেফতার হওয়া নগরীর বোয়ালিয়া থানার মোন্নাফের মোড়ের মৃত মোজাম্মেল হকের ছেলে মামুনুর রশীদ (৪২) ও বাঘা উপজেলার জিন্নাতের আলীর ছেলে মাসুদ রানা (৩২) রাজশাহীর একাংশের সাংবাদিকদের প্রতিহিংসার শিকার হয়েছে বলে জানিয়েছেন মামলার সাক্ষী গনেরা। মামলায় তিন জন সাক্ষীর মধ্যে দুই জনের সাথে গতকাল রাতে এই প্রতিবেদকের মোবাইলে কথা বলার সময় তারা এমনটি বলেছেন। তারা বলেন বাদী সুমন ইসলামের মামলায় গ্রেফতার হওয়া আর্ন্তজাতিক মানবাধিকার সংস্থার,রাজশাহী বিভাগের মহাসচিব,সাংবাদিক মাসুদ রানা ও সাংবাদিক মামুনুর রশীদ কেউই সেখানে গোয়েন্দা পুলিশের পরিচয় দেয়নি । তারা নিজেদের সাংবাদিক পরিচয়ই দিয়েছিল সেখানে । জানা যায়, গত রবিবার দুপুরে ইউসুফপুর বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকা থেকে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে চাঁদাবাজির অভিযোগে দুইজনকে গ্রেফতার করে চারঘাট মডেল থানা পুলিশ। এ ঘটনায় ৫জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত তিনজনকে আসামী করা হয়। এদের মধ্যে বাঘা উপজেলার জিন্নাত আলীর ছেলে মাসুদ রানা (৩২) ও রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানার মোন্নাফের মোড়ের মৃত মোজাম্মেল হকের ছেলে মামুনুর রশীদ (৪২) আটক থাকলেও পলাতক থাকে হরিনা, বাঘা এলাকার পারুল(৫২),চারঘাট শিবপুর এলাকার আনিসুরের ছেলে মিলন(২৮),বাঘা থানা এলাকার লিখন(৩০)সহ আরো তিনজন । এ সময় সাক্ষী করা হয় তিন জনকে। এর মধ্যে ১ নম্বর সাক্ষী করা হয় ইউসুপপুর পশ্চিম পাড়া এলাকার মৃত মসলেম উদ্দিনের ছেলে মাসুদ(৩৭),২ নম্বর সাক্ষী, ইফসুপপুর কান্দিপাড়া এলাকার মৃত মজিবর রহমানের ছেলে শরিফুল ইসলাম(৪৬) ও ৩ নম্বর সাক্ষী করা হয় রাজশাহী মহানগরীর কাজিরগঞ্জ এলাকার মৃত ড: এস এম আব্দুল কাদেরের ছেলে মো কাজিম(৫৬) কে । অনুসন্ধানে ঘটনা স্থল ইউসুফপুর বিজিবি ক্যাম্পের কাছে কয়েকজন স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, বাঘা থানা হরিরামপুর (নন্দীপাড়া) এলাকার চাঁন মোহাম্মদের ছেলে বাদী সুমন ইসলাম পাশ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে আনোয়ারা বিবি নামে এক মহিলাকে নিয়ে পালিয়ে আসে। মেয়েটি আর্ন্তজাতিক মানবাধিকার সংস্থার,রাজশাহী বিভাগের মহাসচিব,সাংবাদিক মাসুদ রানার আত্মীয় হওয়ায় মামলার বাদী সুমন ইসলামের সাথে কথা বলছিল। এক সময় তাদের মধ্যে কথা কাটা কাটি হলে মাসুদ সুমন ইসলামকে চড় থাপ্পর মারেন । কিছুক্ষনের মধ্যে সুমনের পরিচিত এলাকার কিছু ছেলেরা এসে মাসুদ ও মামুনকে আটকিয়ে দেয় । পরে পুলিশ এসে তাদের নিয়ে চলে যান বলে জানান তারা । ঘটনার সময় পুলিশের কাছে আটক ব্যাক্তিরা কি নিজেদের গোয়েন্দা পুলিশ বলে দাবি করেছিল এমন প্রশ্নের জবাবে তারা বলেন, আটক কেউই তারা নিজেদের পুলিশ পরিচয় দেয়নি। তারা নিজেদের সাংবাদিকই পরিচয় দিয়েছিল। এ ছাড়াও তাদের গাড়িতে তো পুলিশ লেখা ছিল না লেখাছিল সাংবাদিক (চৎবংং) বলে জানান তারা। তারা আরো বলেন, এই মামলায় চারঘাট শিবপুর এলাকার আনিসুরের ছেলে মিলন ও অজ্ঞাত নামায় সুজন নামে যাদের নাম উল্লেখ করে মামলা দেয়া হয়েছে তারা এসময় কেউই ঘটনা স্থলে ছিল না । এ বিষয়ে শিবপুর এলাকার আনিসুরের ছেলে মিলনের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, এই মামলাই আমি আমাদের স্থানীয় একাংশের সাংবাদিকদের প্রতিহিংসার শিকার হয়েছি মাত্র । শুধু আমিই নয় অজ্ঞাত নামায় সুজন নামে যাকে আসামী করা হয়েছে সেও সেই দিন আমার সাথেই ছিল। আমার বন্ধু হওয়াতে তাকেও এই মিথ্যে মামলায় আসামী করা হয়েছে । এমনকি প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে স্থানীয় একাংশের সাংবাদিকদের নির্দেশে এই মামলাটি করেছেন চারঘাট মডেল থানা পুলিশ । মামলার বাদী সুমন ইসলামের এজাহারে দেয়া মোবাইল নম্বর ০১৭৯৮৯৮৯৭৫৫ নম্বরে ফোন করা হলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে রং নম্বার বলে ফোন কেটে দেন ।